কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬ এ ০৩:৩২ PM
কন্টেন্ট: পাতা
ইতিহাস: বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ ঔষধাগার প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট মূলত দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন এবং পশু স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে জড়িত। স্বাধীনতার পর দেশে গবাদি পশু ও পোল্ট্রি শিল্প দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও, ১৯৭১ পূর্ববর্তি সময়ে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন, ঔষধ এবং পশু চিকিৎসা সুবিধা তেমন ছিলনা বললেই চলে। অনেক রোগ এবং উচ্চ মৃত্যু হার প্রাণিসম্পদ উৎপাদনকে প্রভাবিত করছিল। সে সময় দেশে গরু, মহিষ, ঘোড়া, এবং অন্যান্য প্রজাতির প্রাণী বিশেষ করে কৃষি ও পরিবহন ব্যবহারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অনেকের জীবন জীবিকার প্রধান চালিকা শক্তি ছিল এই গবাদিপশু। গবাদিপশুর চিকিৎসার অভাব সে সময়ের বাংলার নবাব স্যার সলিমুল্লাহকে ভীষণভাবে ভাবিয়ে তোলে। তিনি মনে করেন একটি যথাযথ ভেটেরিনারি সেবা নিশ্চিত করা গেলে পশুদের সঠিক চিকিৎসা এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সহজতর হবে। এই উপলব্ধি এবং সামাজিক ও মানবিক দায়বদ্ধতার অনুভূতি থেকে তিনি পশুপালকদের জন্য স্থায়ী প্রাণি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান ৪৮,কাজী আলাউদ্দীন রোডে অবস্থিত কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালকে তিন একরের কিছু বেশী জমি দান করেন। গবাদিপশুর চিকিৎসা, গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের জন্য যথাযথ স্থান সরবরাহ করাই ছিল তার মূল লক্ষ্য।
এই প্রেক্ষাপটে গবাদপশুর চিচিৎসা, রোগ নির্নয়সহ পশুস্বাস্থ্য ব্যবস্থার মান উন্নয়ন উপকরণ সরবরাহের লক্ষে কেন্দ্রিয় ভেটেরিনারি হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ১৯৬৯ সালে প্রাণিসম্পদ ঔষধাগারের প্রতিষ্ঠা লাভ করে। যা বর্তমানে দেশে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।
কার্যাবলী: